পেঁপের রিং স্পট ভাইরাস নিচের কোনটি দ্বারা বাহিত হয়?
পেঁপের রিং স্পট ভাইরাস নিচের কোনটি দ্বারা বাহিত হয়?
-
ক
বায়ু
-
খ
পানি
-
গ
এফিড
-
ঘ
মাটি
পেঁপের রিং স্পট ভাইরাস (Papaya Ringspot Virus) এফিড দ্বারা বাহিত হয়।
Explanation:
- এফিড (Aphids) এক ধরনের ছোট পোকা, যা বিভিন্ন উদ্ভিদের রস চুষে খায় এবং এর মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
- বায়ু, পানি, এবং মাটি ভাইরাসের বাহক নয়, বরং এই ভাইরাস প্রধানত এফিড পোকা দ্বারা সংক্রমিত হয়।
তাহলে সঠিক উত্তর: এফিড
পেঁপের রিংস্পট বা মোজাইক রোগ (Ringspot or mosaic disease of Papaya) পৃথিবীর অনেক দেশেই একটি উল্লেখযোগ্য অর্থকরী ফসল হিসেবে পেঁপের চাষ হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের একটি অর্থকরী ফসল হিসেবে পেঁপের চাষ শুরু হয়েছে। পেঁপের রোগ-বালাই অপেক্ষাকৃত কম হলেও কখনো কখনো ক্ষেতের পুরো ফসলই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পেঁপের সবচেয়ে ক্ষতিকারক রোগ হলো ভাইরাসঘটিত রিংস্পট রোগ। বাংলাদেশসহ ভারত, চীন, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, হাওয়াই ও টেক্সাসসহ বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে পেঁপে গাছে এ রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয়। উদ্ভিদ রোগতত্ত্ববিদ জেনসন ১৯৪৯ সালে এ রোগের নামকরণ করেন রিংস্পট (Ringspot)
রোগের কারণ : একটি ভাইরাস দ্বারা পেঁপের রিংস্পট রোগ হয়। ভাইরাসটি সাধারণভাবে Papaya ringspot virus বা PRSV নামে পরিচিত। এর গণ Potyvirus, গোত্র Potyviridae. PRSV কতকটা দণ্ডাকৃতির, এটি ৭৬০-৮০০ nm লম্বা এবং এর ব্যাস ১২ nm । পেঁপে ছাড়াও এ ভাইরাস কুমড়া জাতীয় উদ্ভিদে মোজাইক রোগের সৃষ্টি করে। ক্যাপসিডের বাইরে এর কোনো আবরণ নেই। এটি একটি RNA ভাইরাস। PRSV এর দুটি প্রকরণের (PRSV p এবং PRSV-w) মধ্যে PRSV-p দিয়ে পেঁপের রিংস্পট রোগ হয়।
সংক্রমণ : জাব পোকা ও সাদা মাছি (Melon Aphid Aplus gossypir and Peach Aphid Maus persicae) দ্বারা পেঁপে গাছে পেঁপের রিংস্পট রোগের ভাইরাস সংক্রমিত হয়। কোনো আক্রান্ত উদ্ভিদ থেকে জাব পোকা খাদ্যগ্রহণ করলে ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ভাইরাস পোকার দেহে চলে আসে এবং সাথে সাথে কোনো সুস্থ উদ্ভিদে বসলে উহা ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত হয়। পোকার দেহে এ ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি করে না। যদি পেঁপে বাগানের গাছগুলো পোকার খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং বাগানে জাব পোকার সংখ্যা খুব বেশি থাকে তাহলে এ রোগ খুব দ্রুত ছড়ায় এবং ৪ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ বাগান এ রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। গাছ ছাঁটার সময় যান্ত্রিকভাবে এ রোগ বিস্তার ঘটতে পারে।
রোগ লক্ষণ (Symptoms) রোগের নাম থেকেই লক্ষণ অনুমান করা যায়। Ring বৃত্ত, Spot = দাগ অর্থাৎ বৃত্তাকার = দাগ প্রকাশ পায় । বৃত্তাকার দাগের প্রকৃতি হলো কেন্দ্রাভিমুখী (Concentric)। রোগাক্রান্ত গাছে নিম্নলিখিত লক্ষণ প্রকাশ পায়। (i) উদ্ভিদ জন্মের সাথে সাথে এ রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে। সংক্রমণের ৩০-৪০ দিনের মধ্যে প্রথম রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।
(ii) ক্লোরোপ্লাস্ট নষ্ট হয়ে পাতায় হলদে-সবুজ মোজাইকের মতো দাগ পড়ে। (iii) কাণ্ড, পাতার বোঁটা ও ফলে তৈলাক্ত বা পানি-সিক্ত গাঢ় সবুজ দাগ, স্পট বা রিং সৃষ্টি হয়।
(iv) অপেক্ষাকৃত কম বয়সের পাতায়ই রোগ লক্ষণ প্রথম প্রকাশ পায় ।
(v) আক্রমণ প্রকট হলে পাতায় বহুল পরিমাণে মোজাইক সৃষ্টি হয়, পাতা আকৃতিতে ছোট ও কুকড়ে যায়, গাছের মাথায় বিকৃত আকৃতির ক্ষুদ্রাকায় কিছু পাতা লক্ষ্য করা যায়। অন্যান্য পাতা ঝরে পড়ে। কখনো কখনো পাতার কেবল শিরাগুলো থাকে।
(vi) আক্রান্ত ফলের উপর পানি ভেজা গোলাকার দাগ পড়ে এবং দাগের মধ্যবর্তী স্থান শক্ত হয়ে যায়। (vii) পেঁপে হলুদ হয়ে যায়, রিংস্পট লক্ষণ প্রকাশিত হয়, আকার ছোট হয়ে যায়। অনেক সময় পুষ্ট হবার আগে ঝরে যায়।
(viii) পেঁপের মিষ্টতা ও পেপেইন হ্রাস পায়। (ix) ফলন শতকরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।
প্রতিকার/নিয়ন্ত্রণ
১। জমিতে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পেলে সাথে সাথেই রোগাক্রান্ত গাছ উঠিয়ে মাটি চাপা দিতে হবে বা পুড়িয়ে ফেলত হবে।
Related Question
View All-
ক
১১-১৬ দিন
-
খ
৮-১৫ দিন
-
গ
১২-২০ দিন
-
ঘ
১৮-৪০ দিন
-
ক
12-20 দিন
-
খ
11-16 দিন
-
গ
8-15 দিন
-
ঘ
18-41 দিন
-
ক
৩৬-৪৮ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে
-
খ
৭২ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে
-
গ
৩৬ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে
-
ঘ
৪৮ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে
-
ক
Rhizobium
-
খ
E. coli
-
গ
Yeast
-
ঘ
Lactobacillus
-
ক
উকিনেট
-
খ
জাইগোট
-
গ
স্পোরোজয়েট
-
ঘ
ট্রাফোজয়েট
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন